প্রিয় রাজশাহী ডেস্কঃ বরিশালে স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক করে দেওয়ার কথা বলে প্রবাসী নারীর অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার হয়েছে।
জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা এলাকা থেকে শনিবার বিকালে তাদের আটক করে ১০ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এ ঘটনায় আরেক অভিযুক্ত রুবেল পলাতক রয়েছেন।
রোববার সকালে বরিশাল ১০ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) কমান্ডিং অফিসার (অ্যাডিশনাল ডিআইজি) মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁঞা এ তথ্য জানিয়েছেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- বরিশাল এয়ারপোর্ট থানা এলাকার বাদলা গ্রামের মৃত লিটন খানের ছেলে সাকিব খান (২৪) এবং একই গ্রামের মৃত শাহজাহান বেপারীর ছেলে খলিল বেপারী (৩৫)।
এপিবিএনের কমান্ডিং অফিসার (অ্যাডিশনাল ডিআইজি) মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁঞা জানান, গত কয়েক মাস ধরে বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা এলাকার বাসিন্দা জনৈক প্রবাসী নারীর সঙ্গে বাংলাদেশে থাকা তার স্বামী রাকিবের দাম্পত্য কলহ চলে আসছিল।
ওই নারীর শ্বশুরবাড়ি এয়ারপোর্ট থানা এলাকার মাধবপাশা বাজারসংলগ্ন বাদলা গ্রামে। প্রবাসী নারী তার পারিবারিক কলহ মিটমাট করার জন্য অভিযুক্ত সাকিবের সাহায্য চান। সাকিব ভিকটিমের স্বামীর সঙ্গে তার সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ নিয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ভিকটিমের অশ্লীল দৃশ্য ভিডিও কলে ধারণ করেন। পরে ওই ভিডিও আরেক অভিযুক্ত খলিলের মাধ্যমে প্রবাসী নারীকে পাঠিয়ে দিয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
তিনি জানান, ভিকটিম অশ্লীল ভিডিও এবং টাকা চাওয়ার রেকর্ড সংরক্ষণ করে তার বোনের স্বামী সোলাইমানের কাছে আইনগত সহায়তার জন্য পাঠান। ভিকটিমের বোনের স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান, অনুসন্ধানে জানা গেছে- আটক সাকিব উক্ত ভিডিও স্ক্রিন রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে ধারণ করে। এই ভিডিওটি সাকিবের কাছ থেকে আসামি খলিল তার অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে নেয়।
খলিল তার অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের ইমো থেকে প্রবাসী নারীর ব্যক্তিগত ইমো নম্বরে পাঠায়। এই ভিডিও দেখিয়ে আটক দুইজনসহ আরেক পলাতক আসামি রুবেল ধাপে ধাপে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এ বিষয়ে গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে এয়ারপোর্ট থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর
প্রি/রা/আ