প্রিয় রাজশাহী ডেস্কঃ ২০২৩ বিপিএলের আগে ইমরুল কায়েস ও মাশরাফি বিন মর্তুজা মেট্রোরেলে ট্রফি নিয়ে ছবি তুলেছিলেন। গত বছর এমন আয়োজন করা হয়েছিল ঢাকার ঐতিহ্যবাহী আহসান মঞ্জিলে। অথচ এবারের বিপিএল ফাইনাল নিয়ে তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। তামিম ইকবালের মতে পরিকল্পনার অভাবের কারণে এমনটা দেখা যায়নি।
মিরপুর শেরেবাংলায় আগামীকাল ফাইনালে মুখোমুখি হবে ফরচুন বরিশাল ও চিটাগং কিংস। ফাইনালের আগে আজ গত দুই বারের মতো ঘটা করে ফটোসেশন হয়নি। এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক তামিম উল্লেখ করেছেন গত বিপিএলের কথা। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের এই বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, ‘হ্যাঁ নিয়েছিল (বিসিবির গতবার ফাইনালের আগে ফটোসেশন) । আমি এ কথাটা বলছিলাম যে আমাদের এখানে দোষ আছে। এই জিনিসটা যদি আরও ভালোভাবে পরিকল্পনা করা যায়…আমি যে কারণে যাইনি কারণ, তার আগের রাতে আমি সেমিফাইনাল খেলেছি। পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আমার সেখানে যাওয়া অসম্ভব ছিল। আমি নিশ্চিত, এটা হলে ভালো হতো। তবে ওই পরিকল্পনা যদি আগে থেকে জানা থাকে, যে দল ফাইনালে যাবে, পরিকল্পনাটা এমন। এটা খুব গুছিয়ে আয়োজন করা যেত।’
এবারের বিপিএলে এখন পর্যন্ত ৪৫ ম্যাচে ৮.৪৭ রানরেটে রান হয়েছে। যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। মাঠের খেলায় রান হলেও মাঠের বাইরের নেতিবাচক ঘটনা নিয়ে বিপিএলে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে অনেক বেশি। তামিম এখানে অবদান দেখছেন গণমাধ্যমেরও। ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক বলেন, ‘আমি আবারও বললাম, এই বিপিএলে অনেক জিনিস নিয়ে কথা বলতে পারি। কীভাবে করলে ভালো হতো বা কী করা উচিত না। তবে আবারও বলি, অনেক ক্রিকেটার টুর্নামেন্ট খেলেছে। গণমাধ্যমেরও অবদান রয়েছে।’
তামিমের মতে দীর্ঘ দিন কোনো সংগঠনে কেউ কাজ করলেও যদি সৎ না থাকেন, তাহলে কাজের কাজ কিছুই হয়না। বাংলাদেশের এই বাঁহাতি ব্যাটার বলেন,
‘আমার কাছে মনে হয় ভবিষ্যতে এই টুর্নামেন্টকে ভালো করতে আসলেই কী কী দরকার, তা হলো, যোগ্য মানুষগুলোর সঠিক নির্দেশনায় কাজ করা উচিত। আপনার ৫০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে পারে। তবে আপনার উদ্দেশ্য যদি সৎ না হয়, সেই ৫০ বছর অভিজ্ঞতার কোনো মূল্য থাকে না। যেটা আমি সব সময় মনে করি, ক্রিকেট সংগঠক বলে একটা কথা আছে। ৩০ বছর ধরে দায়িত্বে আছেন। অথচ বাংলাদেশের ক্রিকেট তলানিতে নামছে। সেই ৩০ বছরের অভিজ্ঞতার কোনো মূল্য নেই আমার কাছে। নতুন চিন্তাভাবনা আছে, এমন কাউকে আনা উচিত। তিনি সংগঠক হোক। তাই আসল জায়গায় সৎ ব্যক্তি থাকা গুরুত্বপূর্ণ।’