শুক্রবার | ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আতিউর-বারকাতসহ ২৩ জনের দেশ ছাড়তে নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ জাকির হোসেন গালিব। তাদের বিরুদ্ধে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

নিষেধাজ্ঞায় থাকা অন্যরা হলেন– বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর-২ আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান, সাবেক সহকারী পরিচালক ইসমত আরা বেগম, সাবেক পরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ, ইমদাদুল হক, নাগিবুল ইসলাম দীপু, আর এম দেবনাথ, আবু নাসের, সঙ্গীতা আহমেদ ও নিতাই চন্দ্র নাথ।

এ ছাড়া রয়েছেন জনতা ব্যাংকের এমডি ও সিইও আব্দুছ ছালাম আজাদ, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক  আজমুল হক, সাবেক এজিএম অজয় কুমার ঘোষ, জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক গোলাম আজম, ব্যাংকের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান, এসইও এমদাদুল হক, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক আব্দুল জব্বার, সাবেক ডিএমডি গোলাম ফারুক, সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক, অ্যাননটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান ইউনুছ বাদল, সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন ও পরিচালক আবু তালহা।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আক্তারুল ইসলাম জানান, কমিশনের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ এ আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, আসামিরা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখা থেকে ২৯৭ কোটি ৩৮ লাখ ৮৭ হাজার ২৯৬ টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করেন। ব্যাংকে বন্ধক রাখা জমিতে কোনো ভবন, কারখানা বা স্থাপনা নেই। অথচ, স্থাপনা দেখিয়ে অতিমূল্যায়ন করে ঋণ অনুমোদন ও বিতরণ করেন। এর আগে, গত ২০ ফেব্রুয়ারি দুদক বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

সাবেক মেয়র লিটনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, তাঁর স্ত্রী শাহীন আক্তার, দুই কন্যা আনিকা ফারিহা জামান ও মায়সা সামিহা জামানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিব গতকাল এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আক্তারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

নাসা গ্রুপের নজরুলের বাড়ি-প্লট জব্দ

নাসা গ্রুপের মালিক নজরুল ইসলাম মজুমদারের ছয়টি বাড়ি ও পূর্বাচলের আটটি প্লট জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁর ৫৫ কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়েছে। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার একই আদালত গতকাল এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আক্তারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

জব্দ হওয়া স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে গুলশান মডেল টাউন আবাসিক এলাকার ৪৭ নম্বর প্লট ও ১৪ তলা ভবন। এর বাজারমূল্য ৫০ কোটি টাকা। গুলশান মডেল টাউন আবাসিক এলাকার এসই (ডি) ব্লকের ৩ নম্বর প্লট ও ১৪তলা ভবন। এর বাজার মূল্য ৭০ কোটি টাকা।
মহাখালীতে চার কোটি টাকা মূল্যের দুই তলা বাড়ি, একই এলাকায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের চারতলা বাড়ি, মহাখালীতে আরেকটি ৪ কোটি টাকা মূল্যের বাড়ি এবং তেজগাঁও শিল্প এলাকায় ৫০ কোটি টাকা মূল্যের তিনতলা ভবন।

 

Please Share This Post in Your Social Media



© 2023 priyorajshahi.com
Developed by- .:: SHUMANBD ::.