প্রিয় রাজশাহী ডেস্কঃ সব শর্ত পূরণ সত্ত্বেও আমার বাংলাদেশ পার্টিকে (এবি পার্টি) নিবন্ধন না দিয়ে নির্বাচন কমিশন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, নিয়ম-নীতি, আইন ও সংবিধান লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু।
এবি পার্টির নিবন্ধন না দেওয়ার ইসির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রোববার (১৬ জুলাই) বিকেল ৫টায় বিজয় নগরস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
পার্টির নেতারা বলেন, আমরা আগেও বলেছি, বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের বিন্দুমাত্র নিরপেক্ষতা নেই। সাংবিধানিক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের জন্য গঠিত প্রতিষ্ঠানটি ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনে পরিণত হয়েছে।
অবসরপ্রাপ্ত কিছু সরকারি কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করার জন্য এখানে নিয়োগ দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে আরও বড় পুরস্কারের লোভে তারা তস্য দালালের মতো ফ্যাসিস্টদের স্বার্থে যেকোনো বেআইনি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকে।
আপন হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য মতলববাজ এমন গণবিরোধী সরকারি কর্মকর্তারা দেশে জনপ্রতিনিধিত্বহীন সরকার টিকিয়ে রাখতে বেহায়া ও নির্লজ্জ আচরণ করেন। বাংলাদেশে জনপ্রতিনিধিত্বশীল একটি সরকার গঠন করতে না পারা এর অন্যতম কারণ।
তারা বলেন, এসব সত্ত্বেও আমরা নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিলাম, যাতে জনমানুষের কাছে তাদের চেহারা আরও সুস্পষ্টভাবে উন্মোচিত হয়। এবি পার্টি গত দুই বছরের নিবন্ধন কার্যক্রমের মধ্যদিয়ে জনভিত্তি তৈরি করেছে এবং সাধারণ মানুষের হৃদয় ও বিবেকের নিবন্ধন অর্জন করেছে।সব শর্ত পূরণের পরও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধ্বংস এবং সুষ্ঠু নির্বাচন কর্মকাণ্ড বিঘ্নিত করার প্রয়াসে এবি পার্টিকে বেআইনিভাবে নিবন্ধন না দেওয়ার কারণে নির্বাচন কমিশন ও এর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত।
এসময় এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল ওহাব মিনার, তাজুল ইসলাম যুগ্ম সদস্যসচিব ফুয়াদ, ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভুইয়া, বিএম নাজমুল হক, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, সিনিয়র সহকারী সদস্যসচিব আনোয়ার সাদাত টুটুল, আমিনুল ইসলাম এফসিএ, যুবপার্টির আহ্বায়ক এবিএম খালিদ হাসান, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আলতাফ হোসাইনসহ কেন্দ্রীয়, মহানগর ও যুবপার্টির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্রঃ জাগো নিউজ।
প্রি/রা/শা